
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মণ্ডলসহ অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন।
সোমবার রাতে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সারোয়ার আলম।
আহত আব্দুস সামাদ মণ্ডলকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া আহতদের মধ্যে রয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মিল্লাত সরকার মিলন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীম রেজা, বিএনপি নেতা শাহীন মিয়া, তাবিজ মিয়া, জবা ডাবলু, হাসান মনা, জাকির হোসেন এবং জামায়াত-সমর্থিত শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বরিশাল ইউনিয়ন সভাপতি আশরাফুল ইসলাম। তাদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় জুনদহ বাজারে পূর্বের একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপি সভাপতির দুই ভাগনে কাকন ও নিয়নের সঙ্গে ছাত্রশিবির কর্মী আল আমিনের কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের আরও নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে জড়ো হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।
বরিশাল ইউনিয়ন জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রায়হান অভিযোগ করেন, বিকেলে পলাশবাড়ীতে যাওয়ার পথে জুনদহ বাজারে আল আমিনকে আটকে মারধর করা হয়। এর জের ধরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীম রেজার দাবি, তারা বাজারের একটি হোটেলে অবস্থানকালে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান।
ওসি সারোয়ার আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।