পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ১০ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাল গাজী (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। এদিকে এই জঘন্য অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন তারা।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। আটককৃত অভিযুক্ত দুলাল গাজী ওই এলাকারই স্থায়ী বাসিন্দা এবং পেশায় তিনি একজন ট্রলারচালক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ছোটবিঘাই ইউনিয়নের এক বাসিন্দার ১০ বছর বয়সী শিশুকন্যা নিজের বাড়িতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী দুলাল গাজী কৌশলে শিশুটিকে ফুসলিয়ে পাশের একটি জনশূন্য খালি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির মুখে কাপড় চেপে ধরে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে নির্যাতনের শিকার শিশুটির আর্তচিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং ধর্ষক দুলালকে হাতেনাতে ধরে আটকে রেখে থানায় সংবাদ দেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। তারা ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং অভিযুক্ত দুলালকে আটক করে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে এবং দুলাল গাজীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।"
আইনগত প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে ওসি আরও জানান যে, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর প্রথাগত মামলা দায়ের ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।