
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় দোকান, বাজারে চায়ের আড্ডায় ইউপি নির্বাচনের সমীকরণ মেলাচ্ছেন ভোটাররা। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামছেন সার্জেন্ট (অব.) মো. সোলায়মান জমাদার। এলাকায় একজন সৎ, কর্মঠ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ হিসেবে পরিচিত এই প্রার্থীর আগমন স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছেন ইতোমধ্যে।
সেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতিতে:
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লালমোহন পৌরসভা শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির ইউনিয়ন গড়তে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি নিয়মিত ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও পথসভা কববেন বলেও জানান তিনি। একজন সুশৃঙ্খল সাবেক সেনা সদস্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন ইউনিয়নের ভোটাররা।
অঙ্গীকার ও লক্ষ্য:
সার্জেন্ট (অব.) সোলায়মান জমাদার জানান, তিনি নির্বাচিত হলে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়নে রূপান্তর করবেন। বিশেষ করে মাদক নির্মূল, রাস্তাঘাটের টেকসই উন্নয়ন এবং সরকারি অনুদান সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, "আমি সারাজীবন দেশের সেবা করেছি, এখন আমার এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।"
ভোটারদের প্রতিক্রিয়া:
স্থানীয় ভোটারদের মতে, গতানুগতিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের বাইরে সোলায়মান জমাদারের মতো একজন শিক্ষিত ও সুশৃঙ্খল ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের আশা জাগাচ্ছে। বিশেষ করে এলাকার তরুণ ভোটাররা একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব হয়েছেন।
৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো এই প্রার্থী সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এখন দেখার বিষয়, আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ কাকে তাদের অভিভাবক হিসেবে বেছে নেয়।
এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।