
রাজধানীর শাহবাগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ঘটে যাওয়া রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় তদন্তে নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ দুপুর ১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের কথা ছিল। তবে পরে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে সেটি স্থগিত করা হয় বলে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় জানানো হয়েছে।
গত রোববার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন রাকিবুল ইসলাম। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের তথ্যমতে, সেদিন রাত সোয়া ৯টার দিকে শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় কয়েকজন যুবক সেখানে এসে প্রথমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা।
ঘটনার সময় উপস্থিত জনতা হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ আটক করে শাহবাগ থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রেমসংক্রান্ত বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এতে সাত থেকে আটজন ব্যক্তি অংশ নেয় এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত রাকিবুলের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।