
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ‘ব্রিজ বডার্স’: বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা বিষয়ে এক সাংস্কৃতিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদীর যৌথ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে এই সাংস্কৃতিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীরা এনার্জি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও গবেষণা নিয়ে গ্রুপভিত্তিক আলোচনা করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোটের্র বাংলাদেশ শাখার মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আনাসতাসিয়া বাঝেনোভা।
কো-চেয়ার ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা এবং সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে অতিথিগণ রাশিয়া ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলেন ধরেন। তাঁরা বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে অসাধারণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হতে পারব। তবে এর সাথে কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে। এ চ্যালেঞ্জগুলো কমাতে হবে। তাঁরা বলেন, নিউক্লিয়ার এনার্জি পৃথিবীতে সবচেয়ে টেকসই এনার্জি। জ্বালানির অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে নিউক্লিয়ার এনার্জি।
এদিকে রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সকল শিক্ষকদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান। সভাপতিত্ব করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষকদের ফুল দিয়ে বরণ এবং পিএইচডি ডিগ্রীধারী শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষদের ৭টি বিভাগের চেয়ারম্যানগণ বিভাগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। চেয়ারম্যানদের উপস্থাপিত বিষয়গুলো শুনে প্রশাসন থেকে ধাপে ধাপে তা পূরণের জন্য আশ্বাস প্রদান করা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে হবে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা এবং শিল্প ও শিক্ষার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে। বিভাগ থেকে সেমিনার বা আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে বছরে কমপক্ষে এক বা দুবার। ল্যাবগুলোকে এসির আওতায় নিয়ে আসা, নিজেদের কাজ নিজেদের করার ব্যাপারে সপ্তাহে একবার করার জন্য তাগিদ দেন। প্রতি মাসে একবার পুরো বিল্ডিং নিজেরা পরিস্কার করার বিষয়ে বলেন উপাচার্য।