
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রাজধানী লখনউ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নামে এক শিক্ষার্থীকে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর হাসপাতালটি সিলগালা করার পাশাপাশি অভিযুক্ত চিকিৎসকের সনদ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১৮ মে) অসুস্থ হয়ে তেজাস হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ওই তরুণী। পরে চিকিৎসার কথা বলে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
উত্তরাঞ্চলের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার টুইঙ্কেল জৈন সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর সেখানে থাকা নারী কর্মী ও তরুণীর বাবাকে বাইরে যেতে বলা হয়। এরপর অভিযুক্ত চিকিৎসক তরুণীকে চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় ইনজেকশন দেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ইনজেকশনের প্রভাবে অচেতন অবস্থায় তাকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ করা হয়।
পরে জ্ঞান ফিরে এলে নিজের সঙ্গে কী ঘটেছে তা বুঝতে পারেন ওই শিক্ষার্থী। এরপর পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম বিজয় গিরি। তিনি সীতাপুর জেলার তাম্বৌর এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এদিকে ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ নিয়মিত মামলা করেছে।